কক্সবাজার রাত ৮:৪২ ২৬ জুন, ২০২২ | ১২ আষাঢ়, ১৪২৯
  শিরোনাম
মহেশখালীতে প্রস্তাবিত আরো ৬ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাতিলের সিদ্ধান্ত ট্রাক চাপায় রামুতে বাবা-ছেলে নিহত পুলিশের অভিযানে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার, অপহৃত যুবক উদ্ধার ঝিলংজায় ৯নং ওয়ার্ডে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় শরীফ উদ্দীন মেম্বার নির্বাচিত  সপ্তাহের মধ্যেই স্কুল শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া শুরু মুহিবুল্লাহ হত্যার বিষয়টি মাঠ পর্যায়ের পর্যবেক্ষণ আছে: পররাষ্ট্র সচিব রোহিঙ্গাদের আমরা দাওয়াত করে আনিনি-পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিউজ পোর্টাল চালু করতে আগেই নিবন্ধন নিতে হবে : তথ্যমন্ত্রী সোনাদিয়ায় নৌক ডুবিঃ ৯৯৯ তে কলে ১৪ পর্যটক উদ্ধার, নিখোঁজ ১ হোয়াইক্যংয়ে স্থগিত দুই ভোটকেন্দ্রের পুন:নির্বাচনে শংকা, ৯ প্রস্তাবনা

আইনমন্ত্রীর বক্তব্য ‘ভ্রষ্টাচার’- প্রিন্স

ডেস্ক নিউজঃ

বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও দফতরের চলতি দায়িত্বে থাকা সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, খালেদা জিয়া কোনো অপরাধই করেননি। তার ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই আসে না।

‘দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চাইলে বিদেশে যাওয়ার সুযোগ পাবেন খালেদা জিয়া’— আইনমন্ত্রীর এই বক্তব্যের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী সরকারের হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের প্রতিফলন ঘটেছে, যা ভ্রষ্টাচার ছাড়া আর কিছুই নয় বলে মন্তব্য করেন প্রিন্স।

বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রিন্স বলেন, ৩০ জুন জাতীয় সংসদে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বক্তব্যের প্রতি আমাদের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। তিনি তার বক্তব্যে দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়া ছাড়া বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সু-চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার সুযোগ নেই বলে যা উল্লেখ করেছেন, তাতে সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার ক্ষেত্রে সরকারের ইচ্ছাকৃত প্রতিবন্ধকতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

তিনি বলেন, আইন মন্ত্রী ‘দোষ স্বীকার করে ক্ষমা না চাইলে বিদেশে যাওয়ার’ সুযোগ দেখছেন না। কিন্তু খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে তার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিয়ে যেতে আবেদন করা হলে তিনি বলেছিলেন—সরকার যে শর্তে তাকে মুক্তি দিয়েছে, সেই শর্ত শিথিল করলে খালেদা জিয়ার বিদেশে যেতে আইনগত কোনো বাধা থাকে না।

এটা নির্ভর করছে একেবারেই সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর। তিনি আরও বলেছিলেন, সরকার বিষয়টি ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছে। আইনমন্ত্রীর এই বক্তব্য দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে সেসময় ফলাও করে প্রচারিত হয়েছিল। কিন্তু ২/১ দিন পরই তিনি ইউটার্ন নিয়ে বলেছেন— সম্ভব নয় এবং এখন বলছেন ক্ষমা চাইতে হবে। এগুলো সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ এবং রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রিত ও কলুষিত করার ব্যর্থ চেষ্টা ছাড়া কিছুই নয়।
বিএনপির এই নেতা বলেন, কর্তৃত্ববাদী সরকার যখন যেটা মনে করে তখন সেটি জনগণের ওপর চাপিয়ে দেয় এবং একইসাথে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালায়। খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রেও তাই ঘটছে। আমরা আইনমন্ত্রীর সংসদে প্রদত্ত বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা দূর করবার আহ্বান জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, দেশে মহামারি করোনা ভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণ ঘটেছে। করোনা মোকাবিলায় এবং জনগণের জীবন রক্ষায় সরকারের ব্যর্থতার কারণে জনজীবন বিপন্ন হচ্ছে। করোনা মোকাবিলায় সরকারের ভুল পদক্ষেপ, সময়োপযোগী সঠিক সিদ্ধান্ত না নিতে পারা এবং দ্রুত টিকা এনে জনগণকে টিকার আওতায় আনতে না পারার কারণে করোনা সংক্রমণের ভয়াবহতা দেখা যাচ্ছে। সরকারের ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমসহ করোনা প্রতিরোধে সামগ্রিক ব্যর্থতা ঢাকতেই সরকার বারবার লকডাউন দিচ্ছে এবং সঠিক পরিকল্পনার অভাবে সেগুলোও ব্যর্থতায় পর্যবসিত হচ্ছে। দিন আনে দিন খায়, নিন্ম আয় এবং কর্মহীন মানুষকে অর্থ ও খাদ্য সহায়তা না দিয়ে লকডাউন, শাটডাউন বা কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপের পদক্ষেপ কখনো কার্যকর কিংবা বাস্তবায়িত হয় না।




Developed By e2soft Technology

Share via
Copy link
Powered by Social Snap